কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা রোগ কি?

কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা রোগ কি?


বৃষ্টির সময়টাতে অনেকেরই চোখে এক ধরনের অসুখ দেখা দেয়। যার নাম কনজাংকটিভাইটিস। এ রোগটি ছোঁয়াচে হওয়ায় দ্রুতই একজন থেকে অন্যজন সংক্রামিত হয়।বর্ষাকালে চোখের নানা অসুখ বাড়ে। এর মধ্যে বেশি প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় কনজাংকটিভাইটিস নামে চোখের রোগের। এ জন্য একটু সতর্ক হওয়া দরকার।

 

লক্ষণ

এই রোগের লক্ষণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো

চোখের নিচের অংশ লাল হয়ে চোখে ব্যথা

প্রথমে এক চোখে, পরে অন্য চোখে ছড়িয়ে পড়ে

চোখ থেকে ক্রমে পানি পড়া

চোখের নিচের অংশ ফুলে লাল হয়ে যায়

চোখ জ্বলে চুলকায়

আলোয় চোখে কষ্ট হয়।

 

কনজাংটিভাইটিস কি ছোঁয়াচে :

কনজাংকটিভাইটিস একটি ছোঁয়াচে রোগ। কনজাংকটিভাইটিস রোগের ভাইরাস বাতাসে থাকে।যার ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির চারপাশে যাঁরা থাকেন, তাঁরাও এই অসুখে আক্রান্ত হন।

চিকিৎসা করণীয়

চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ চোখে দিলে এই রোগ থেকে ভালো হওয়া যায়। তবে প্রতিরোধের জন্য কিছু করণীয় হলো :

সব সময় হাত-পা ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে এই করোনাকালে হ্যান্ড স্যানিটাইজ করে সচেতন থাকুন।

কোনো কারণে চোখ ভেজা থাকলে চোখ টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে নিন এবং টিস্যু পেপারটি অবশ্যই ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দিন। নইলে ব্যবহার করা টিস্যু পেপার থেকে সংক্রমণ ঘটতে পারে।

চশমার ব্যবহার করুন। এতে চোখে ভুলবশত হাত লেগে যাওয়া এবং ধুলো, ধোঁয়া থেকে বাঁচবে।

 নিজের ব্যবহার করা প্রসাধনসামগ্রী অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না বা অন্যের ব্যবহৃত প্রসাধনসামগ্রী নিজে ব্যবহার করা যাবে না।

চোখ ঘষে চুলকানো যাবে না।

অন্য কারো আই ড্রপ ব্যবহার করা উচিত হবে না। এতে ফের কনজাংকটিভাইটিস হতে পারে।

সম্ভব হলে আলাদা বাথরুম ব্যবহার করুন। এতে রোগ থেকে যেমন মুক্তি পাওয়া যাবে, তেমনি অন্যরাও এ রোগ থেকে দূরে থাকবেন।

করোনাকালে পরিবার নিজেকে সচেতনে রাখি। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিই।

Share in Social Media